আইরিশ ফ্যাশন লিমিটেড নামক কারখানার শ্রমিকরা সকাল ৯টার দিকে বিক্ষোভ শুরু করেন। শ্রমিকদের অভিযোগ, কারখানার কয়েকজন কর্মকর্তা তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন এবং তাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করার হুমকি দিয়েছেন। পাশাপাশি তারা দাবি করেন- হাজিরা বোনাস, টিফিন বিল ও বাৎসরিক ছুটির টাকার প্রাপ্যতা এখনো পরিশোধ করা হয়নি।
শ্রমিক আবিদ হোসেন বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে, আমরা আমাদের অধিকার চাই। হাজিরা বোনাস, টিফিন বিল ও ছুটির টাকা না পেলে আমাদের বিক্ষোভ চলতেই থাকবে।’
.png)
বিক্ষোভের কারণে চন্দ্রা-নবীনগর সড়ক প্রায় দুই ঘণ্টা বন্ধ ছিল, ফলে উভয় দিকে যানজট তৈরি হয়। শিল্প পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শ্রমিকদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে।
শিল্প পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘বিক্ষোভকারী শ্রমিকদের শান্ত করার জন্য আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে।’
এদিকে, জেলার অন্য কোথাও শ্রমিক অসন্তোষের খবর পাওয়া যায়নি। শিল্পাঞ্চলের চান্দনা চৌরাস্তা, ভোগড়া, ইটাহাটা, কোনাবাড়ি এবং কালিয়াকৈর এলাকার শ্রমিকরা যথারীতি তাদের কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন। সকাল ৮টার দিকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হলেও শ্রমিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ শুরু করেছেন। এছাড়া জেলার ৮টি কারখানা আজও বন্ধ রয়েছে।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের পরিদর্শক আবু তালেব বলেন, জিরানী এলাকার একটি কারখানা ছাড়া জেলার কোথাও শ্রমিক অসন্তোষের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। শিল্পাঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং শিল্প পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবির টহল অব্যাহত রয়েছে।