নিহতের স্বজনরা জানান, সোমবার রাতের খাবার খাওয়ার পর আল আমিন নিজ ঘরে ঘুমাতে যায়। এরপর আর তাকে পরিবারের কেউ দেখেনি। বিকেল তিনটার দিকে দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য আল আমিনের ভাতিজা রাহাতকে ঘরে পাঠান আল আমিনের ভাবি। এ সময় শিশু রাহাত আল আমিনকে বিছানার পাশে ঝুলতে দেখে মাকে ডাক দেয়।
আল আমিনের বড় ভাই রাজমিস্ত্রী আলম বাদশা বলেন, ওই ঘরে মা আর আল আমিন থাকতো। মা কিছুদিন আগে ঢাকায় গেছেন। দুপুর পর্যন্ত আল আমিনের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে আমার স্ত্রী সন্তানকে দিয়ে ডেকে পাঠালে ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়।
.png)
তিনি জানান, প্রায় ৭-৮ বছর আল আমিন বিয়ে করে। কিন্তু কয়েক মাস পর ওই সংসার ভেঙে যায়। বর্তমানে সে আমার সঙ্গে রাজমিস্ত্রীর কাজ করতো। আল আমিন কী কারণে আত্মহত্যা করতে পারে তা বলতে পারেননি তিনি। তবে এটি আত্মহত্যা না পরিকল্পিত হত্যা তা নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের কোনো এক সময় এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
নালিতাবাড়ী থানার ওসি ছানোয়ার হোসেন লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।