এ সময় সহকারী শিক্ষকরা জানান, বর্তমানে তারা ১৩তম গ্রেডে শিক্ষকতা করছেন। ইউনিয়ন ভূমি সচিব, পুলিশের সাব ইনসপেক্টর এবং সিনিয়র নার্স ১০ম গ্রেডে বেতন পান, এটি চরম বৈষম্য। একই যোগ্যতাসম্পন্ন হয়েও ১৩তম গ্রেডে থাকায় সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছেন তারা। বর্তমান সরকার বৈষম্যনিরসনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের পদকে ১২তম গ্রেডে উন্নীত করার সুপারিশ করেছে। কিন্তু এই প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করে ১০তম গ্রেডে উন্নীত করার দাবি জানান শিক্ষকরা।
এ সময় বক্তব্য রাখেন সহকারী শিক্ষক জসিম উদ্দিন ও মোর্শেদা জাহান রুমি প্রমুখ।
.png)