বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফুলছড়ি থানার ওসি রাজিফুজ্জামান।
এর আগে, বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার কালাসোনার বালুচর থেকে আহত ওই স্কুলছাত্রকে উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি উদ্ধার হওয়ার চার ঘণ্টা আগে নিখোঁজ হয়েছিল ওই স্কুলছাত্র।
.png)
উদ্ধার হওয়া স্কুলছাত্র আকাশ উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়নের বাজে তেলকুপি এলাকার মঞ্জু মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় চরকৃষ্ণমণি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র।
আহত ওই স্কুলছাত্রের চাচা মিলন মিয়া বলেন, আমার আপন ছোট ভাইয়ের ছেলে আকাশ। সে বুধবার সন্ধ্যায় আজানের আগে নিখোঁজ হয়। এরপর রাত ৯টার দিকে চর কালাসোনার নদীর কিনারায় বালুর নিচ থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় চৌকিদার এবং স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আমাদের খবর দেন। পরে আমরা তাকে নিয়ে কালিরবাজার থানায় যাই। পুলিশ চিকিৎসার জন্য আমাদের হাসপাতালে পাঠায়। আমরা এখন গাইবান্ধা হাসপাতালে আছি।
তিনি দাবি করে বলেন, আমার বাবা লাল মিয়াকে পিটিয়ে হত্যা করেছে স্থানীয় এনায়েত গংরা। আমরা মামলা করেছি, মামলা চলমান রয়েছে। আমরা যাতে মামলা প্রত্যাহার করি সেজন্য এনায়েত গংরা আমার ভাতিজাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হাত-পা ও মুখ বেঁধে বালুচাপা দিয়েছে। হাকিম ও রিপন নামে দুজনসহ আরো ১০ থেকে ১২ জন আমার ভাতিজাকে হত্যার চেষ্টা করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করব।
ফুলছড়ি থানার ওসি রাজিফুজ্জামান বসুনিয়া বলেন, এর আগে ওই এলাকায় একটি হত্যাকাণ্ড ঘটে। উদ্ধার হওয়া কিশোর হামলায় নিহত ব্যক্তির নাতি হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ওইসব কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।