মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সদর উপজেলার মির্জাপুর থেকে তাদের আটক করা হয়। নিহত শিশুটির নাম রাশেদুল হাসান নড়াইল সদর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর মির্জাপুর গ্রামে দাদার বাড়িতেই থাকত শিশু রাশেদুল। কিছুদিন পর সেই বাড়িতে রাশেদুলের সৎমা হয়ে আসেন রহিমা বেগম। সোমবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল রাশেদুল। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর মাঝরাতে বাড়ির পাশের ডোবা থেকে উদ্ধার হয় তার মরদেহ। এতে পরিবারের সন্দেহের তীর যায় সৎমা রহিমার দিকে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে সত্যতা মেলে। রাশেদুলকে শ্বাসরোধে হত্যার পর ডোবায় ফেলার কথা স্বীকার করেন তিনি। সেই কাজে তাকে সহযোগিতা করেছেন রাশেদুলের চাচি রুমা বেগম। এরপর তাদের আটকে রেখে পুলিশে সোপর্দ করেন স্থানীয়রা।
.png)
নড়াইল সদর থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় সৎমা ও চাচিকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তীতে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।