বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কসংলগ্ন উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের ছোনকা নামক স্থানে অবস্থিত মজুমদার প্রডাক্টস লিমিটেডে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর পৌর শহরের অফিসার্স কলোনি এলাকার খলিলুর রহমানের ছেলে মো. ইমরান হোসেন (৩২), একই এলাকার সোলায়মান আলীর ছেলে মোহাম্মদ আবু সাঈদ (৩৮), আব্দুস সালামের ছেলে মো. মনির হোসেন (২৮) ও রুবেল আহমেদ (৩১)।
.png)
মজুমদার প্রডাক্টস লিমিটেডের মানবসম্পদ কর্মকর্তা রঞ্জন চক্রবর্তী জানান, ঘটনার সময় তাদের কোম্পানির ঠিকাদারের সাতজন শ্রমিক রাইচ ব্র্যান তেল উৎপাদনের কনটেইনার মেরামতের কাজ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ কনটেইনারটিতে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ওই সব শ্রমিক গুরুতর আহত হন।
পরে কোম্পানির অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। কিন্তু সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে তাৎক্ষণিক তাদের বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
বগুড়ার উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মো. লালন মিয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিস্ফোরণে গুরুতর আহতদের মধ্যে চারজনকে বগুড়ার শজিমেক হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে লাশগুলো হাসপাতাল মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। আর বাকি আহতরা শহরের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে শুনেছেন তিনি।
শেরপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার বখতিয়ার উদ্দিন বলেন, মজুমদার কোম্পানিতে আগুন লেগেছে- এমন সংবাদ পেয়ে দ্রুত সেখানে যাই। কিন্তু ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন কোম্পানির লোকজন।
হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর নিহতদের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন শেরপুর থানার ওসি।