খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ও স্থানীয়দের প্রায় আড়াই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত বলে ধারণা করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, এ অগ্নিকাণ্ডে তারা প্রায় নিঃস্ব হয়ে গেছেন। এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোই ছিল তাদের উপার্জনের একমাত্র সম্বল। অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসায়ীদের প্রায় ৩ কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দ্রুত সরকারি সহযোগিতার দাবি করেছেন তারা।
.png)
বোরহানউদ্দিন ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মোখলেছুর রহমান বলেন, রাত ১২টা ৫৬ মিনিটে আমাদের কাছে আগুন লাগার খবর আসে। এরপর তাৎক্ষণিকভাবে আমরা এবং কয়েকটি উপজেলার মোট ৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে আড়াই ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। এ সময় অক্ষত অবস্থায় প্রায় ১ কোটি টাকার মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।
ভোলা জেলা ফায়ার সার্র্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. লিটন আহমেদ জানান, প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা- লেপ-তোশকের দোকানের বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশেপাশের অন্য সব দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ভোলা সদর, লালমোহন, তজুমদ্দিন ও বোরহানউদ্দিন উপজেলার মোট ৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে। তদন্ত শেষে এই অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতি ও আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে স্পষ্টভাবে বলা যাবে।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রায়হান-উজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে রাতেই আমি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছি। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রস্তুত করে জেলায় পাঠাবো, বরাদ্দ পেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে তা ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।