বুধবার হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানায় মামলাটি দায়ের করেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন। মামলায় ব্যারিস্টার সুমনসহ ৯৮ জনের নাম উল্লেখসহ আরো ৭০-৮০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে চুনারুঘাট থানাধীন শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজ গোলচত্বর এলাকায় ছাত্র-জনতার ঢল নামে। ব্যারিস্টার সুমনের নির্দেশে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আসামিরা ছাত্র-জনতার ওপর ইটপাটকেল ছোড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা করেন। এতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাসহ নানা শ্রেণি-পেশার অসংখ্য মানুষ রক্তাক্ত হয়ে গুরুতর আহত হন।
.png)
অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- চুনারুঘাট পৌরসভার সাবেক মেয়র সাইফুল আলম রুবেল, ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন পলাশ, রুমন ফরাজী, মানিক সরকার, মোস্তাফিজুর রহমান রিপন, ওয়াহেদ আলী ও আব্দালুর রহমান, চুনারুঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক পিপি এম আকবর হোসেইন জিতু, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আলী, কবির মিয়া খন্দকার, আব্দুল হান্নান এবং রজব আলী।
বাদীর অভিযোগ, আন্দোলনের সময় ব্যারিস্টার সুমনের নির্দেশে মানিক সরকার তার হাতে থাকা রামদা দিয়ে বড়গাঁও এলাকার ইয়াকুব আলীর ছেলে অলিউর রহমানকে আঘাত করেন। আরেক আসামি কবির মিয়া খন্দকার তাকে রড দিয়ে মারধর করেন। এতে অলিউর রহমান গুরুতর আহত হন। অন্য আসামিরাও অস্ত্র হাতে আন্দোলনরত ছাত্র-জনতাকে বেধড়ক মারপিট করেন।
এ ব্যাপারে চুনারুঘাট থানার ওসি হিল্লোল রায় জানান, বুধবার ভোরে মামলাটি রেকর্ড করা হয়। মামলায় সাবেক সংসদ সদস্যসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের আসামি করা হয়। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।