রোববার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হওয়ার চারটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ভুক্তভোগী ছাত্র নিজেই। ছাত্র নির্যাতনের এসব ছবি দেখে নেটিজেনরা ক্ষুব্ধ হয়ে প্রিন্সিপালের কড়া সমালোচনা করেছেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার দাবি করেন অনেকেই।
ভুক্তভোগী মাদরাসাছাত্র মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান বলেন, শারীরিক কিছু সমস্যা থাকায় গত সপ্তাহের শনিবার ও রোববার আমি ক্লাসে অনুপস্থিত ছিলাম। এ বিষয়ে রোববার ক্লাস ছুটির পর প্রিন্সিপাল স্যারের সঙ্গে দেখা করে পরের দিন থেকে নিয়মিত ক্লাস করার কথা বলেছিলাম। সোমবার ক্লাস করার সময় স্যার আমাকে দরখাস্ত লিখে জমা দিতে বলেন। পরে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে প্রিন্সিপাল স্যার ক্লাসে আসার পর আবারো আমার কাছে ছুটির দরখাস্ত চান। কিন্তু আমি দরখাস্ত জমা দিতে না পারায় স্যার রাগান্বিত হয়ে ক্লাসরুমের দরজা বন্ধ করে আমাকে বেত দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। এতে আমার শরীর রক্তাক্ত লালচে আঘাতে ফুলে যায়। পরে আমি পার্শ্ববর্তী ফার্মেন্সি থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছি। এখনো আমি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারিনি।
.png)
অভিযুক্ত মাদরাসার প্রিন্সিপাল মুফতি যুবায়ের আহমদ ভৈরবীর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করার পরও তিনি রিসিভ করেননি। তাই তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।