শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টায় এ ঘটনা ঘটে। হত্যা মামলার আসামি হাজতি ফজল আমিন সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর থানার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের দৃমন খাঁর ছেলে। তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন বলে জানা গেছে।
সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্রে জানা যায়, গত ৩ আগস্ট ফজল আমিনকে সুনামগঞ্জ থেকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে
স্থানান্তর করা হয়। তার মানসিক অবস্থা খারাপ থাকায় তাকে চিকিৎসার জন্য এখানে নিয়ে আসা হয়। আসামির হাজতি নম্বর-৩৯/২৪। তিনি কারাগারে নিজের পরিধানের লুঙ্গি গলায় পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন।
.png)
সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, শুক্রবার বিকেলে কারাগারে আত্মহত্যার চেষ্টা করার সময় তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে নেয়ার পর জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক সৌমিত্র চক্রবর্তী বলেন, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হাজতিকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়। তাকে বর্তমানে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। পোস্টমর্টেমের পর তার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
এর আগেও চলতি বছরের ৩ জুন সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে ইউনুস আলী নামে আরেক হাজতি গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। ওই ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই কারারক্ষী ও একজন সহকারী হেড ওয়ার্ডকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়।