জানা যায়, টানা বৃষ্টিতে পৌর শহরের শেহলাবুনিয়া, মাকোড়ঢোন, কুমারখালী, কানাইনগর, কাইনমারীসহ বিভিন্ন এলাকা পানিতে নিমজ্জিত হয়ে দুর্ভোগ বেড়েছে মানুষের। অনেক বাড়িঘরে পানি ওঠে গেছে। বিভিন্ন সড়কে পানি জমে থাকায় ভোগান্তি বেড়েছে কয়েক গুণ।
পৌরসভার বাসিন্দাদের অভিযোগ, পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই প্লাবিত হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এই সমস্যার সমাধানে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তারা। এ ছাড়া পানি বেড়ে অনেকের মাছের ঘের তলিয়ে গেছে। ভেসে গেছে উপজেলার বিভিন্ন চিংড়ি ঘের। মাছ রক্ষায় চারপাশে নেট দিয়ে রেখেছেন ঘের মালিকরা। কৃষিজমিও বৃষ্টির পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে।
.png)
মোংলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অঞ্জন বিশ্বাস বলেন, মোংলা এলাকায় টানা বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল তলিয়ে অন্তত এক হাজারের ওপরে চিংড়ি ঘের ডুবে গেছে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার বিভাগ সূত্রে জানায়, মোংলা বন্দরে অবস্থান করা আটটি পণ্যবাহী জাহাজের মধ্যে দুটি জাহাজে পণ্য খালাস সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। খালাস বন্ধ হওয়া বিদেশি জাহাজ দুটিতে কানাডা থেকে সার আমদানি করা হয়েছে।