শনিবার (২৪ আগস্ট) গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে জেলা প্রশাসন।
জেলার ত্রাণ ও পুনর্বাসন শাখা সূত্র জানায়, এখন পর্যন্ত জেলায় তিন লাখের বেশি মানুষ বন্যা আক্রান্ত। এ পর্যন্ত ২০ হাজার মানুষকে উদ্ধার করে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে এক হাজার ৬০০ প্যাকেট শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে খিচুড়ি ও শুকনা খাবারের ব্যবস্থা করেছে। বন্যাদুর্গত এলাকায় স্বেচ্ছাসেবকদের উদ্ধার তৎপরতা উল্লেখযোগ্যহারে লক্ষ্য করা গেছে।
.png)
জেলা প্রশাসক মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার বলেন, সেনাবাহিনী, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও ছাত্র-জনতার সমন্বয়ে উদ্ধার কাজ চলমান আছে।
চট্টগ্রাম থেকে আসা স্বেচ্ছাসেবক সাজ্জাদ রাকিব জানান, ফেনীর স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন ছাড়াও ফেনীর বাইরে থেকে আসা হিউম্যান এইডস, ড্রিমটাচ বাংলাদেশ, একজন বাংলাদেশ, ফেনী ক্লাব ঢাকা, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন, মাস্তুল ফাউন্ডেশনসহ বেশকিছু সংগঠন স-উদ্যোগে স্পিডবোট নিয়ে উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নিয়েছে এবং শুকনো খাবার সরবরাহ করছে।
প্রসঙ্গত, জেলার অধিকাংশ এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক অচল রয়েছে, বিদ্যুৎ সংযোগ দুই-তৃতীয়াংশ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না বলে দেশে-বিদেশে অবস্থানরত স্বজনরা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় আছেন। সব ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ায় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীগণেরও সংবাদ সংগ্রহ ও সরবরাহ করতে বেগ পেতে হচ্ছে।