অটো রাইছ মিলের মালিক আলমগীর বলেন, আমি অটো রাইছ মিলটি এলাকার আমির উদ্দিনের কাছ থেকে কিছুদিন আগে ভাড়া নিই। ভাড়া নেয়ার পর থেকে চাল, গম ভাঙানোর পাশাপাশি প্রতি রাতে অটোরিকশা চার্জ দেওয়া হতো। গত রাতে তিনটি অটোরিকশা চার্জের জন্য দিয়ে যায়। আজ সকালে দোকানে এসে দেখি দুটি অটোরিকশাসহ এলইডি টিভি ও ৪-৫ হাজার টাকা চুরি হয়ে গেছে। যার আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ টাকা। অটোরিকশা দুটির মালিক কালিয়ান গ্রামের রঞ্জু মিয়া ও গাবর কালিয়ান গ্রামের উজ্জল মিয়া।
অপর দিকে, একই দিন শেষ রাতের দিকে উপজেলার দলপা ইউনিয়নের রামপুর বাজারের নূরে আলমের কাপড়ের দোকানে চুরি হয়। খবর পেয়ে এলাকাবাসী ধাওয়া দিলে চোর প্রাইভেটকারযোগে পালাতে গিয়ে কেন্দুয়া-নান্দাইল রোডের খানকা শরীফের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। পরে প্রাইভেটকার রেখে পালানোর সময় ওই এলাকার লোকজন প্রাইভেটকার ও মালামালসহ চোরকে আটক করে।
.png)
ধৃত চোরের নাম গোলাম মোহাম্মদ সুমন ভূইয়া ( ৪৫)। তার বাড়ি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার নগোয়া গ্রামে।
কেন্দুয়া থানার এসআই শফিউল আলম বলেন, অটোরিকশা চুরির ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। আর প্রাইভেটকারযোগে চুরি করে পালানোর সময় এলাকাবাসী প্রাইভেটকার ও কাপড়সহ এক চোরকে ধরে থানায় নিয়ে আসে। আটককৃত কাপড়ের মূল্য ৪ লাখ ৬২ হাজার ৪০০ টাকা। এখন চোরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।