মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৯ জুলাই দামুড়হুদা উপজেলার উজিরপুর গ্রামের অস্টম শ্রেণির ছাত্র মাহফুজ আলম সজিবকে আসামি মো. মামুনসহ চারজন অপরহরণ করেন। তারপর তার পরিবারের কাছে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। মুক্তিপণের টাকা প্রদান না করে পরিবারের লোকজন বিষয়টি পুলিশ ও র্যাবকে অবহিত করে। অপরহণের দুইদিন পর মাহফুজ আলম সজিবের লাশ চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার সিএন্ডবি পাড়ার একটি বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে উদ্ধার করে র্যাব।
এ ঘটনায় নিহত সজিবের মামা মো. আব্দুল হালিম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় মামুনসহ চারজনকে আসামি করা হয়। মামলা দায়েরের পর মামলার তিন আসামি ক্রসফায়ারে নিহত হন। জীবিত থাকেন একমাত্র মো. মামুন। আসামি মো. মামুন দামুড়হুদা উপজেলার উজিরপুর গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে।
.png)
মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই আব্দুল খালেক তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি থানায় চার্জশিট প্রদান করেন। মামলার মোট ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামি মো. মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি মামুনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালতের বিচারক মো. মাসুদ আলী। মামলার রায়ে আসামিকে আরো ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শরীফ উদ্দিন হাসু জানান, রায়ে বাদীপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।