সোমবার সকালে ঝালকাঠি ১ম যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শামীম আহম্মেদ এ রায় প্রদান করেন।
আদেশের ঘণ্টাখানেক পরে দন্ডিত আসামি তার আইনজীবীর মাধ্যমে ৭ লাখ টাকা দিয়ে জামিন নিয়েছেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী সমাজপতি বিষয়টি নিশ্চিত করছেন।
.png)
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে মো. নাজমুল হোসেন ঝালকাঠি সদরের খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা থাকাকালীন সময়ে খাদ্য পরিবহন ঠিকাদার আবুল বাশার শামীমের কাছ থেকে ১৪ লাখ টাকা ধার হিসেবে গ্রহণ করেন। এর বিপরীতে তিনি ঠিকাদার আবুল বাসার শামীমকে ১৪ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। পরে বকেয়া টাকা পরিশোধ না করায় এবং ব্যাংক হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় ঠিকাদার আবুল বাসার শামীম বর্তমানে কাঠালিয়া উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত মো. নাজমুল হোসেনের বিরুদ্ধে ঝালকাঠি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি চেক প্রত্যাখ্যানের মামলা দায়ের করেন। সেই মামলা আদালত ঝালকাঠি ১ম যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় খাদ্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আসামি পক্ষের আইনজীবী নাসির উদ্দিন কবির বলেন, এ মামলায় ৫০ ভাগ টাকা অর্থাৎ ৭ লাখ টাকা আদালতে জমা দিলে আসামি জামিন পাবেন। আসামিপক্ষ টাকা জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করে জামিনে এসেছেন।