মঙ্গলবার (৪ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ১০ কেজি করে ৬ বস্তা আউশ বীজ ও ৫০ কেজি করে ৭ বস্তা সার জব্দ করে উপজেলা প্রশাসন। তার সূত্র ধরে অপর একটি বাসা থেকেও ৬ বস্তা ব্রী-ধান জব্দ হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, দুপুরে স্থানীয় ইউপি মেম্বার মো. হেলাল উদ্দিন অটোরিকশায় পরিষদের গোডাউন থেকে সার ও বীজ গোপনে স্থানান্তর করার সময় স্থানীয় লোকজন তা দেখে ফেলেন। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানান স্থানীয়রা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নেছার উদ্দিন পরিষদে অভিযান চালান। এ সময় পরিষদের গোডাউনে ৬ বস্তা ব্রী-ধান ও ৭ বস্তা রাসায়নিক সার দেখতে পান। পরে স্থানীয় সাতানী বাজারের দীপক হাওলাদারের বাসা থেকে ৬ বস্তা ব্রী-ধান জব্দ করা হয়।
.png)
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ইমরান বিন ইসলাম জানান, খরিপ মৌসুমে উফশী আউশ ধান আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রাসায়নিক সার ও বীজ বিতরণ করা হয়। এ বছরের এপ্রিল মাসে উপজেলার ৩৭৫০ জন কৃষকের মাঝে কেজি আউশ বীজ, ড্যাপ সার ১০ কেজি ও এমওপি সার ১০ কেজি করে বিতরণ করা হয়।
আওরাবুনিয়া ইউনিয়নে বরাদ্দ ৬২৫ জন কৃষকের তালিকা অনুযায়ী ১০ জনের গ্রুপ অনুযায়ী অফিস থেকে সার ও বীজ বুঝে নেন কৃষকরা। দুই মাস পেরিয়ে গেলেও সেই সার কৃষকদের না দিয়ে তার পরিষদের গুদামে এবং স্থানীয় সাতানী বাজারের দীপক হাওলাদারের বাসায় ধান মজুত রাখা হয়।
এ ঘটনায় এখনো কেউ আটক হয়নি জানিয়ে ইউএনও নেছার উদ্দিন বলেন, কৃষি বিভাগ একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিয়েছে। তদন্তে ঘটনায় কে বা করা জড়িত তা বেরিয়ে আসবে।