শনিবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে তাকে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালেতে সোপর্দ করা হয়।
এর আগে, শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাত সোয়া ৯টার দিকে উপজেলার কাদরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মতি মিয়ার হাটের পূর্ব পাশে হানিফ বাবুর্চির নতুন বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় পিস্তলটি জব্দ করেন পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। গ্রেফতারকৃত মনির আহাম্মদ (২১) উপজেলার আহাম্মদপুর গ্রামের মো.হানিফ মিয়ার ছেলে।
.png)
পুলিশ জানায়, গত ৫ আগস্ট ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন থানায় দুষ্কৃতকারীরা অগ্নিসংযোগসহ সরকারি অস্ত্র-গুলি লুটপাট করে। এই লুট হওয়া অস্ত্র-গুলি যাতে সন্ত্রাসী কাজে ব্যাবহৃত হতে না পারে সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এরই মধ্যে শুক্রবার সেনবাগ থানা পুলিশ সংবাদ পায় উপলোর কাদরা ইউনিয়নের মতি মিয়ার হাট এলাকার হানিফ মিয়ার ছেলে মনির আহাম্মদের কাছে একটি অত্যাধুনিক পিস্তল রয়েছে। পিস্তলটি সন্ত্রাসীদের কাছে বিক্রির চেষ্টা করছেন তিনি।
এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেনবাগ থানা এলাকায় দায়িত্বশীল সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে রাত সোয়া ৯টার দিকে হানিফ বাবুর্চির নতুন বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল। ওই সময় স্থানীয় জনগণের সহায়তায় আসামি মনির আহাম্মদকে আটক করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে একটি সেমি অটোমেটিক ৭.৬২ এম.এম পিস্তল উদ্ধার করা হয়।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামি জানায় তার প্রতিবেশী ও আত্মীয় মো.কাইয়ুম অস্ত্রটি বিক্রি করার জন্য তার কাছে রাখেন। অস্ত্রটি ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকাধীন থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র। যে লুটের ঘটনায় কাইয়ুম সরাসরি অংশগ্রহণ করেছিলেন। এ ঘটনায় সেনবাগ থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। পলাতক কাইয়ুমকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।