জানা গেছে, সকাল ৮টায় চাঁদপুরের উদ্দেশে চট্টগ্রাম ছেড়ে যায় সাগরিকা এক্সপ্রেস। সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে ছাড়ে ঢাকাগামী কর্ণফুলী এক্সপ্রেস। বিকেল ৩টায় ঢাকার উদ্দেশে ছাড়ে মহানগর গোধুলি।
এছাড়া বিকেল ৪টায় ঢাকাগামী কক্সবাজার এক্সপ্রেস, ৪টা ১০ মিনিটে ময়মনসিংহগামী নাসিরাবাদ এক্সপ্রেস, ৪টা ৪৫ মিনিটে ঢাকাগামী সোনার বাংলা এক্সপ্রেস, বিকেল সাড়ে ৫টায় আন্তঃজেলা নাজিরহাট লোকাল ট্রেন, সন্ধ্যা ৬টায় চাঁদপুরগামী মেঘনা এক্সপ্রেস, রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে সিলেটগামী উদয়ন এক্সপ্রেস, ১১টা ১৫ মিনিটে ঢাকাগামী পর্যটন এক্সপ্রেস, ১১টা ৩০ মিনিটে একই রুটের তূর্ণা নিশীতা ও ১১টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা মেইল ট্রেন চট্টগ্রাম রেলস্টেশন ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়াও বেলা ১২টার দিকে হাটহাজারী ও দোহাজারীর উদ্দেশে দুটি মালবাহী ট্রেন চট্টগ্রাম রেলস্টেশন ছেড়ে যায়।
.png)
এর আগে, সোমবার (১২ আগস্ট) থেকে শুরু হয় মালবাহী ট্রেন চলাচল। পরদিন মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) থেকে মেইল, এক্সপ্রেস, লোকাল ও কমিউটার ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশন ম্যানেজার কামরুজ্জামান বলেন, প্রথমে মালবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়। এরপর লোকাল, মেইল ও কমিউটার ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। আজ থেকে সব ধরনের ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। যাত্রীদের সুষ্ঠু সুন্দর পরিবেশে ট্রেন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।
তিনি বলেন, আজ চট্টগ্রাম ছেড়ে যাওয়া মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট (সিট) বিক্রি হয়েছে ৭৩৪টি। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় আজ যাত্রী সংখ্যা কিছুটা কম। আগামীকাল থেকে যাত্রী বাড়বে।
চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ওসি এস এম শহীদুল বলেন, আজ প্রথম দিনে জিআরপির সদস্যরা সিভিল ড্রেসে দায়িত্ব পালন করছেন। আগামীকাল থেকে যথারীতি পুলিশি পোশাকে দেখা যাবে তাদের।
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে দেশজুড়ে সহিংসতায় ১৯ জুলাই থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে যায় সব ধরনের ট্রেন চলাচল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ২৭ দিন পর চলতে শুরু করেছে আন্তঃনগর ট্রেন। প্রথম দিন বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম থেকে ১০টি আন্তঃনগর ট্রেনের শিডিউল থাকলেও ছেড়ে যাচ্ছে সাতটি। বাকি তিনটি সুবর্ণ এক্সপ্রেস, পাহাড়িকা ও বিজয় এক্সপ্রেসের রেক চট্টগ্রামে না থাকায় সেগুলো চট্টগ্রাম থেকে ছাড়ছে না। তাই মহানগর এক্সপ্রেস দিয়ে শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম থেকে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রা।