বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে চাঁদপুর-রায়পুর সড়কের তরপুরচন্ডি এলাকায় পাসপোর্ট অফিসের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আটককৃত মামুন শহরের চেয়ারম্যানঘাট জিটি রোড দক্ষিণ এলাকার মোস্তফা গাজীর ছেলে। মারধর খেয়ে পালিয়ে যাওয়া ফজলু একই এলাকার। তবে তার পিতার নাম জানা যায়নি।
পাসপোর্ট অফিসের হিসাবরক্ষক মো. ফারুক হোসেন জানান, সকাল থেকে আমরা পাসপোর্ট সেবা প্রার্থীদের কাজ করছিলাম। ওই সময় মামুন ও আরো দুইজনসহ অফিসের নিচতলায় মোবাইল দিয়ে ভিডিও ধারণ করছিলেন এবং উচ্চস্বরে বলতে থাকেন, এখানে আমাদের এতদিন ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এখানকার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছে এবং তিনি টাকা দাবি করে একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন।
.png)
তিনি আরো জানান, একপর্যায়ে আমি তাকে দ্বিতীয় তলায় একটি কক্ষে এনে জিজ্ঞেস করলাম তোমার সমস্যা কী? কোনো কাজ থাকলে বলো। সে সঠিক কোনো উত্তর দিতে পারেনি। তাদের সঙ্গে থাকা একজন ফোন করে বুঝাচ্ছেন, তিনি রাজনৈতিক দলের এক নেতাকে ফোন দিচ্ছেন। এই সময়ের মধ্যে তাদের একজন বলেন, এই উনিতো তোমাদের ভিডিও করছে। এই কথা বলে আমার হাতে থাকা মূল্যবান ডিজিটাল ঘড়ি ছিনতাই করে নিয়ে যান। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় মামুনকে আটকে রাখা হয়।
চাঁদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক মো. ইউসুফ বলেন, অফিসে উচ্চস্বরে কথাবার্তা শুনে আমি গিয়ে দেখি, আটক মামুনসহ ৩ জন। তারা অফিসের পুরো শৃঙ্খলা নষ্ট করে ফেলেছে। তার কাছে আমি জানতে চাই, কার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমাকে বলেন, আমি ব্যবস্থা নেব। তিনি কিছু বলতে পারে না। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে আটক করে কক্ষে রাখা হয়। পরে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তার কাছে তাকে সোপর্দ করা হবে।