পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক আক্তার জাহান জানান, বৃষ্টিপাত আগামী ৭২ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে। সেই সঙ্গে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
টানা বর্ষণে জনজীবনে ভোগান্তি নেমে এসেছে। বেলা বাড়লেও বাজারগুলোতে মানুষের চলাফেরা খুবই কম। বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে অসংখ্য মাছের ঘের ও পুকুর। এছাড়াও দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এ জেলার চাষিরাও। পানিতে তলিয়ে গেছে জেলার অনেক সবজি ক্ষেত।
.png)
এদিকে সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত। বড় বড় ঢেউ তীরে আছড়ে পড়ছে। উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় পায়রাসহ সব সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস। সব ধরনের মাছ ধরার ট্রলারসমূহকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
কলাপাড়া পৌর শহরের পান বিক্রেতা কিশোর মিয়া জানান, এমনিতেই গত এক সপ্তাহ ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। তবে গতকাল রাত থেকে টানা ভারী বর্ষণ হচ্ছে। তাই বাজারে মানুষের আনাগোনা খুবই কম। যার কারণে আমাদের বিক্রিও অনেক কম।
ধানখালী ইউনিয়নের কৃষক জাকারিয়া জানান, দুই বিঘা জমিতে শসা চাষ করেছি। ফলনও ভালো হয়েছে এবং দামও ভালো পেয়েছি। কিন্তু এখন বৃষ্টির কারণে দুশ্চিন্তায় পড়েছি। এরমধ্যে আমাদের এলাকার অনেকের গাছের গোরায় পচন ধরেছে।