ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

অতীতের সব রেকর্ড ভাঙলো হাওরের মাছ উৎপাদন

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:৪২, ২৬ জুলাই ২০২৪
অতীতের সব রেকর্ড ভাঙলো হাওরের মাছ উৎপাদন
ছবি: সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জের হাওর থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ মাছ উৎপাদন হয়েছে। এ অর্থবছরে মাছ উৎপাদন হয়েছে ২৮০২০.৫২ টন। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১২৬০.৯২ কোটি টাকা।

জানা গেছে, কিশোরগঞ্জে ৬৪ হাজার ৩০৬ হেক্টর আয়তনের ছোট-বড় ১২২টি হাওর রয়েছে। এসব হাওর থেকে প্রতিবছর মেলে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। এছাড়া প্রচুর শামুক-ঝিনুক উৎপন্ন হয়। তবে ২২-২৩ অর্থবছরে ২৮০২০.৫২ টন মাছ উৎপাদন হয়েছে, যা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙেছে।

জেলা মৎস্য অফিসের তথ্যমতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে জেলায় ৯৪ হাজার ৮৮৭.১৯ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়। এর মধ্যে আহরণের মাধ্যমে উৎপাদন হয়েছে ৪২ হাজার ৭৪১.৩৪ টন, যা মোট উৎপাদনের ৪৪.৪২ শতাংশ। আর চাষের মাধ্যমে এসেছে ৫২ হাজার ৭৪১.৩৪ টন মাছ, যা উৎপাদনের ৫৫.৫৮ শতাংশ। এ সময়ে হাওর থেকে উৎপাদন হয়েছে ২৮ হাজার ০২০.৫২ টন মাছ, যা মোট উৎপাদনের ২৯.৫৩ শতাংশ। আর এর আনুমানিক বাজারমূল্য ১২৬০.৯২ কোটি টাকা।

Advertisement

জেলা মৎস্য অফিস জানায়, হাওরে প্রায় ১২০ প্রজাতির দেশি মাছ পাওয়া যায়। মাছের উৎপাদন বাড়াতে নার্সারি করা হচ্ছে। যেখানে এক থেকে দেড়মাস বয়সী মাছের পোনা লালন-পালন করে পুরো বিলে ছাড়া হবে। জেলেদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। হাওরে ক্ষতিকর চায়না জালের ব্যবহার, পোনা ও ডিমওয়ালা মাছ নিধন, সেচ দিয়ে মাছ শিকার ও জমিতে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার কমাতে জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন স্থানীয় মৎস্য কর্মকর্তারা।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, পরিবেশ দূষণ, সময়মতো বৃষ্টি না হওয়া, কারেন্ট ও চায়না দোয়ারি জালের ব্যবহারের কারণে হাওরের মাছের উৎপাদন কমে যাচ্ছে। এর মধ্যেও কিশোরগঞ্জের হাওর থেকে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে ২৮০২০.৫২ টন মাছ উৎপাদন হয়েছে।

তিনি বলেন, কারেন্ট ও চায়না দোয়ারি জালের ব্যবহার বন্ধে আমরা নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি। যারা বিল ইজারা নেন তারা যেন বিল সেচে মাছ না ধরেন সেই প্রচারণা চালানো হচ্ছে। প্রাকৃতিক মাছের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য মৎস্য আইন বাস্তবায়নে আমরা নিয়মিত কাজ করছি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!