অভিযোগ উঠেছে কর্মরত ৩ জন কনসালট্যান্ট এর কেউই নিয়মিত থাকেন না। বেশিরভাগ সময় তাদের হাসপাতালে ডিউটি করতে দেখা যায় না। যার ফলে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার ও কনসালট্যান্টসহ মোট ৩৫টির মতো পদ থাকলেও বর্তমানে সাতজন মেডিকেল অফিসার ও তিনজন কনসালট্যান্টসহ মোট ১২ জন চিকিৎসক কর্মরত রয়েছেন। বাকি বৃহৎ সংখ্যক পদ শূন্য থাকায় স্বাস্থ্য সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে।
.png)
ভুক্তভোগী এক রোগী জানান, সকালে হাসপাতালে এসে ঘণ্টা খানেক অপেক্ষা করেও কোনো চিকিৎসক না পেয়ে বাড়িতে ফিরে গেছেন। এমন চিত্র নতুন নয়, বেশ কিছুদিন ধরেই এভাবে চলছে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। তাতে চিকিৎসকই সময়মতো হাসপাতালে উপস্থিত থাকেন না। আবার কোনো চিকিৎসকের রুম খোলা থাকলেও চিকিৎসক পাওয়া যায় না।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুর রশিদ বলেন, হাসপাতালটির মোট পদ সংখ্যার প্রায় চার ভাগের তিন ভাগই ফাঁকা পড়ে আছে। যার কারণে চিকিৎসক স্বল্পতা দেখা দিয়েছে। এছাড়াও যারা কর্মরত আছেন তারা ট্রেনিংসহ বিভিন্ন কারণে উপস্থিত থাকতে পারেন না। যার কারণে এমন পরিস্থিতির স্বীকার হতে হচ্ছে। তবে কর্মরতরা নিয়মিত উপস্থিত থাকলে পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হবে।
তিনি আরো বলেন, চিকিৎসক সংকটসহ নানা কারণে কর্মরত চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে এখনো তার কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি।