ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

স্কুলে অনিয়ম, ডিসির কাছে অভিযোগ করায় যুবককে মারধর

মাদারীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:১৫, ১৩ জুলাই ২০২৪
স্কুলে অনিয়ম, ডিসির কাছে অভিযোগ করায় যুবককে মারধর
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

মাদারীপুরের ডাসারে এ কে ডি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অনিয়ম নিয়ে ডিসির কাছে লিখিত অভিযোগ করায় সাইফুল ইসলাম জয় নামে এক যুবককে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডাসার ইউনিয়নের চেয়াম্যান মো. রেজাউল করিম ভাসাই শিকদারের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার রাতের এ ঘটনার প্রতিবাদে আইসার বাজারে সড়ক অবরোধ করে ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ মিছিল করেন স্থানীয়রা। এ সময় স্কুলের প্রধান শিক্ষক দুলাল চন্দ্র নাগের অপসরণ ও স্কুলের শিক্ষক নিয়োগ বাতিল করে পুনরায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে যোগ্য প্রার্থী নেয়ার দানি জানানো হয়।

জানা গেছে, উপজেলার এ কে ডি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল চন্দ্র নাগ স্কুলের নিয়োগসহ বিভিন্ন অনিয়ম করে আসছিলেন। এর বিরুদ্ধে ছাত্রীদের নিয়ে মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন স্কুলের অভিভাবক সাইফুল ইসলাম জয় নামে এক যুবক। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ঐ যুবককে মারধর করেন স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ডাসার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম ভাসাই শিকদার।

Advertisement

ভুক্তোভোগী সাইফুল ইসলাম জয় জানান, আমি স্কুলের প্রধান শিক্ষক দুলাল চন্দ্র নাগ ও স্কুলের বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেই। জেলা প্রশাসক বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। আমি লিখিত অভিযোগের বিষয়টি স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডাসার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম ভাসাই শিকদারকে জানালে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মারধর করেন।

এ কে ডি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. রেজাউল করিম ভাসাই শিকদারের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি স্কুলের সভাপতি। আমাকে না জানিয়ে সে স্কুলের ছাত্রীদের নিয়ে অভিযোগ করতে গেছেন ডিসির কাছে। স্কুলে লেখাপড়া হয় না বা অন্য বিষয়ে আমার কাছে অভিযোগ করত। আমি বিচার করতাম। আমি রোববার অভিভাবকদের ডেকেছি। ডিসির কাছে অভিযোগ দিয়ে এসে সাইফুল ইসলাম জয় আমাকে হুমকি দেন যে, ডিসির কাছে অভিযোগ দিয়েছি। পরে ওকে একটা থাপ্পড় দিয়েছি।

এ বিষয়ে ডাসার থানার ওসি এস এম শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরে পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করে। মারধরের ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!