জানা যায়,কিশোরগঞ্জ টু ভালুকা হাইওয়ে সড়ক এবং হোসেনপুর বাজার থেকে কিশোরগঞ্জগামী গুরুত্বপূর্ণ দুটি রাস্তা মিলিত হয়েছে উপজেলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও ব্র্যাক অফিসের সামনের ওই বিপদজনক তিন রাস্তার মোড়ে। ফলে ওই তিনটি সড়কের সংযোগস্থলে প্রতিনিয়তই ছোট বড় দুর্ঘটনায় প্রাণহানীর ঘটনা ঘটেছিল। গত কয়েকদিনে ঝূকিপূর্ণ এ স্থানে কয়েকটি দুর্ঘটনায় মানুষের প্রাণহানীর পাশাপাশি আহতের ঘটনার পর স্থানীয়রা বারবার এ স্থানে গতিরোধক স্থাপনের দাবি জানালেও গতিরোধক স্থাপিত হয়নি। এ নিয়ে অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘ডেইলি বাংলাদেশ’ এ ‘তিন রাস্তার সংযোগস্থল যেন মরণফাঁদ’ ও ‘একই স্থানে বারবার দুর্ঘটনা, তবুও বসানো হয় না গতিরোধক’ শিরোনামে নিউজ প্রকাশিত হলে বিষয়টি আরো নজরে আসে।
কিছুদিন আগে ইটবাহী একটি ট্রাকের চাপায় তুহিন মিয়া নামের এক শিশুর মৃত্যু হলে ক্ষোভে স্থানীয় এলাকাবাসী কিশোরগঞ্জ-হোসেনপুর ও ভালুকা সড়ক অবরোধ করে রাখেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিন্দ্য মন্ডল ও হোসেনপুর থানার ওসি নাহিদ হাসান সুমন এর আশ্বাসে তারা অবরোধ খুলে দেয়।
.png)
শনিবার সকালে সরেজমিন দেখা যায় এ তিনরাস্তার সংযোগস্থলের দুপাশে দুটি গতিরোধক স্থাপিত হয়েছে৷ গতিরোধক এর একটু আগে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ডও স্থাপন করা হয়েছে।
হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিন্দ্য মন্ডল জানান, এ বিপদজনক স্থানে গতিরোধক বসানোর ব্যাপারে সড়ক ও জনপদ অধিদফতরকে বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার অবগত করা হয়েছিল। গতিরোধক স্থাপিত হওয়ায় দুর্ঘটনা কমতে পারেও বলে মন্তব্য করেন তিনি৷