শনিবার সকালে হাসপাতালের তৃতীয় তলার মেডিসিন ওয়ার্ডের টয়লেট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত বাবুল বেপারী বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলার পূর্ব তয়কা এলাকার আলী বেপারীর ছেলে।
নিহতের স্বজন ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন বাবুল বেপারী। এ সময় সঙ্গে ছিলেন তার বৃদ্ধা মা রোকেয়া বেগম। মধ্যরাতে মা রোকেয়া বেগম ঘুম থেকে ওঠে দেখেন ছেলে শয্যায় নেই। এরপর তিনি ছেলেকে হাসপাতালে খোঁজাখুঁজি করেন এবং একপর্যায়ে বিষয়টি নার্সদের জানান। এরপরেও তার কোনো খোঁজ না পেলে শুক্রবার সকালে তিনি গ্রামের বাড়ি চলে যান। বিকেলে পুনরায় হাসপাতালে এসে ছেলের খোঁজ করেন। এরপর শনিবার সকালে অন্য রোগীরা শৌচাগার গেলে বাবু বেপারীকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
.png)
বাবু বেপারীর ভাতিজি হেনা আক্তার বলেন, আমার চাচ্চু গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিল। তিনি বাথরুমে গিয়ে যদি মারাও যান, তাহলে এই দুদিন কি বাথরুম পরিষ্কার করা হয়নি? তারা চাচ্চুকে না খুঁজে উলটো রোগীকে পাওয়া যায়নি বলে আমার দাদিকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। আমরা এর বিচার চাই।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল) আহসান হাবীব বলেন, হাসপাতাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।