বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) ও শুক্রবার (১২ জুলাই) সকালে টেকনাফ সীমান্তের সাবরাংয়ের তিনটি পয়েন্ট দিয়ে অনুপ্রবেশ করে মিয়ানমার সরকারি বাহিনীর সদস্যরা। পরে তাদেরকে বিজিবি ও কোস্টগার্ড সদস্যরা হেফাজতে নেন।
গত দুদিনে মিয়ানমারের বিজিপি ও সেনাসদস্যরা ধাপে ধাপে টেকনাফে পালিয়ে আসে। এর মধ্যে গত বুধবার সকালে ২০ জন, বৃহস্পতিবার ১১৯ জন মিয়ানমার সেনা ও বিজিপির সদস্য আশ্রয় নিয়েছেন। তবে শুক্রবার ভোরে আসা বিজিপি সদস্যদের সংখ্যা আনুমানিক অর্ধশতাধিক হতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।
.png)
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী জানান, নতুন করে মিয়ানমারের সেনা ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য এ পাড়ে আশ্রয় নিয়েছেন বলে শুনেছি। তারা বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের হেফাজতে রয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে আছে।
এ দিকে গত বুধবার রাতে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও দেশটির সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে মর্টারশেল ও ভারী গোলা বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে টেকনাফ সীমান্তে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শব্দ কমেছে।
টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, নতুন করে কাউকে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। সীমান্তে সার্বক্ষণিক বিজিবির সদস্যরা টহল দিয়ে যাচ্ছে। মিয়ানমারের এমন পরিস্থিতিতে সীমান্তের যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত।