এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন এলাকাবাসী। কিন্তু দীর্ঘ দিনেও ব্রিজ না হওয়ায় আশা ছেড়ে দিয়েছেন তারা।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাঁশের তৈরি নড়বড়ে সাঁকোটি নদীর বুকে দাঁড়িয়ে আছে। ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপারে বাধ্য হচ্ছেন গ্রামের সাধারণ মানুষ এবং নদীর দুই পাড়ে গড়ে ওঠা স্কুল-কলেজ ও মাদরাসাসহ ৪-৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী।
.png)

স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য স্থানীয়রা দাবি জানিয়ে আসলেও কেউ এগিয়ে আসেননি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর আর্থিক সহায়তায় অস্থায়ী এ বাঁশের সাঁকো তৈরি করে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
কাদিরজংগল ইউপি চেয়ারম্যান আরিফ উদ্দিন আহমেদ কনক বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এ বাঁশের সাঁকোটির জায়গায় স্থায়ী পাকা ব্রিজ নির্মাণের জন্য চেষ্টা করে দেখব কি করা।
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেন বলেন, এখানে ব্রিজ নির্মাণের জন্য আমি আগেও চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু ব্রিজের এক মাথা করিমগঞ্জের কাদিরজংগল ইউনিয়নে পড়ায় ওই এলাকাবাসীর বাধার কারণে মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন আনার পরেও ব্রিজ নির্মাণ করা যায়নি।