তারা ফুলবাড়িয়া উপজেলার ইচাইল গ্রামের সাহেদ আলীর ছেলে। তিনি পেশায় ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাখাওয়াত ও সাইমের মা কিশোয়ারা বেগম ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ১২ বছর আগে মারা যান। দুই ভাই ও দুই বোন তারা। তাদের বোন সানজিদা আক্তার ঢাকায় একটি ব্যাংকে চাকরি করেন। আর ছোট বোন সুমাইয়া আক্তার ময়মনসিংহের একটি বেসরকারি নার্সিং কলেজে পড়ছেন। মা মারা যাওয়ার পর মামারা দুই ভাইকে ঢাকায় নিয়ে যান।
.png)
স্থানীয়রা জানান, সাখাওয়াত হোসেন ও সাইম হোসেনের বাবা সাহেদ আলী ময়মনসিংহ নগরীর আকুয়া বাইপাস এলাকায় ভাগনি কমলা খাতুনের বাসায় থাকেন। তিনি ৪০ বছর ধরে ময়মনসিংহ নগরীর দিঘারকান্দা বাইপাস এলাকার কাদুরবাড়ি মোড়ে ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করেন। সাখাওয়াত ও সাইমের বাবার ভিটাতে একটি পুরোনো আধাপাকা ঘর আছে। সাখাওয়াত ঢাকার রাজারবাগ এলাকায় থেকে ব্যবসা করতেন। পরে সাইমও একই কাজে যুক্ত হন। গ্রামের বাড়িতে নতুন ঘর না তুললেও গত দুই বছর ধরে দুই ভাই সাদা রঙের প্রাইভেট কারে করে বাড়িতে আসতেন।
ইচাইল গ্রামের বাসিন্দা আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, সাখাওয়াত ও সাইম এলাকায় প্রাইভেট কারে আসতেন। এলাকায় ঘুরতেন, চায়ের দোকানে বসে চা খেতে। সর্বশেষ গত রোজার ঈদে দুই ভাই বাড়ি এসেছিলেন।
সাখাওয়াতের ফুফু জমেলা খাতুন বলেন, সাখাওয়াত ও সাইম আগে গ্রামে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অ্যাসিড পানির ব্যবসা করতেন। পরে বাড়িতে জমি বিক্রি করে ঢাকায় নিয়ে দুই ভাই ব্যবসা করতেন। তাদেরকে ফাঁসানো হচ্ছে বলে আমার মনে হচ্ছে।
সাখাওয়াত ও সাইমের বাবা সাহেদ আলী বলেন, আমার দুই ছেলে ব্যবসার সুবিধার জন্য ২ বছর আগে ১১ লাখ টাকা দিয়ে একটি প্রাইভেটকার কিনেছে। বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করছিল। বাড়ি থেকে জমি বিক্রি করে টাকা নিয়েছে। তাদের ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হচ্ছে। কে ষড়যন্ত্র করবে? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সেটা আমার জানা নেই।