দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আলমগীর সদর উপজেলার বড় মান্দার বাড়িয়া গ্রামের আজিবর বিশ্বাসের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলার আসামি আলমগীরকে পুলিশ রিমান্ডে এনে মামলার মূল ঘটনা ও রহস্য নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। একপর্যায়ে পূর্বের তথ্য অনুযায়ী জিজ্ঞাসাবাদ করলে আসামির নিকট অবৈধ অস্ত্র আছে বলে স্বীকার করেন। পরে আসামির গ্রামের বাড়ি মান্দার বাড়িয়ায় ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসের ১২ তারিখ পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে।
.png)
অভিযানকালে আসামির বাড়ির পেছন থেকে একটি ওয়ান শুটারগান ও ১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এসআই ব্রজবল্লভ সাধু পরদিন ১৩ নভেম্বর সদর থানায় অস্ত্র আইনে আলমগীরের নামে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওই বছরের ১২ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আসামিকে অস্ত্র আইনের একটি ধারায় ৭ বছর সশ্রম ও অপর ধারায় ১০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন। আসামিকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।