সোমবার সকালে পোর্ট রোডের লিয়া মৎস্য আড়তের আড়তদার রুবেল হোসেন বলেন, বর্তমানে বড় সাইজের ইলিশ বেশি ধরা পড়ছে। গত কয়েকদিন ধরে মোকামে গড়ে ৬০ মণ করে ইলিশ সরবরাহ হচ্ছে। এসব ইলিশের মধ্যে এলসি (৬০০-৯০০ গ্রাম) আকারের ইলিশ প্রতি কেজি ১৫ থেকে ১৬ শ টাকা, এক কেজি সাইজের ইলিশ ১৭ থেকে ১৯ শ টাকা এবং ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি ১৪ থেকে ১৫ শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
কীর্তনখোলা নদীর জেলে আব্দুর রহমান বলেন, বৃষ্টি শুরুর পর নদীতে বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়ছে। তবে তা সংখ্যায় খুব বেশি না। বৃষ্টি থাকলে ইলিশ শিকার আরো বাড়তে পারে। একই কথা জানিয়েছেন আঁড়িয়াল খাঁ ও মেঘনা নদীর জেলেরা।
.png)
আরো পড়ুন >>> আবদার মেটাতে কিশোরদের হাতে বাইকের চাবি, ৭ মাসে হতাহত ২২
বরিশাল আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক বশির আহমেদ বলেন, গত কয়েকদিন ধরে দিনের অধিকাংশ সময় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। এ বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জেলা মৎস্য অধিদফতরের কর্মকর্তা (ইলিশ) ড. বিমল চন্দ্র দাস বলেন, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে ইলিশ শিকারের সু-সময়। তাই এ সময়ে মেঘনাসহ অন্য নদীতে বড় ইলিশ ধরা পড়ছে। যে কারণে নগরীর পোর্টরোড মৎস্য মোকামেও সরবরাহ বেড়েছে।
বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য অধিদফতরের সহকারী পরিচালক নাসির উদ্দিন বলেন, কঠোর অবস্থানে গিয়ে জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রম সফল করা হয়েছে। পাশাপাশি আষাঢ়ে বৃষ্টি হওয়ায় বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়ছে। ইলিশ শিকারের হার আরো বাড়বে। তাই বিভাগের ছয় জেলার চার লক্ষাধিক জেলে ইলিশ শিকারে নদী চষে বেড়াচ্ছেন।