জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা ফতুল্লার বক্তাবলী ইউনিয়নের আকবরনগর গ্রাম। এ গ্রামে ইটখোলায় চাঁদাবাজি ও জমি দখলের প্রভাব নিয়ে রহিম হাজি ও সামেদ আলীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এতে মুখোমুখি দুই গ্রুপের টেঁটাযুদ্ধে এ পর্যন্ত একাধিক লোকজন নিহত ও আহত হয়েছেন। অনেকের বাড়ি ঘর ভাঙচুর করে আসবাবপত্র লুট করা হয়েছে। তাদের এ সংঘর্ষের আতঙ্কে কয়েক গ্রামের মানুষ বাড়ি ঘর ছেড়ে অন্যত্রে বসবাস করতেন। তাদের সংঘর্ষ থামাতে পুলিশকে শত রাউন্ড গুলি ছুড়তে হতো। দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করেও রহিম হাজি ও সামেদ আলীকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি নুরে আজম জানান, একটি প্রতারণা মামলায় ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টসহ আরো ৯টি মামলায় সামেদ আলীর বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আরো একাধিক মামলা রয়েছে।
.png)