শুক্রবার (৫ জুলাই) বিকেলে ইঞ্জিন সচল হওয়ার পর ট্রলারটি মিয়ানমারের উদ্দেশে রওনা করে বলে নিশ্চিত করেন সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) বিকেলে মংডু শহর থেকে রোহিঙ্গাবাহী ট্রলারটি মিয়ানমার নৌবাহিনীর জাহাজে করে সিটওয়ে শহরে যাওয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। পথে বোটটি পুলার জালে আটকে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায় এবং প্রচণ্ড ঝড়ের কবলে পড়ে সেন্টমাটিনের উত্তর-পশ্চিম বিচে ভেসে আসে।
.png)
বৃহস্পতিবার দিনগত ভোররাতে সেন্টমার্টিন উত্তর গুলাচ্চরে একটি ট্রলারে লাইটের সিগনাল দেখতে পান দ্বীপের স্থানীয় জেলেরা। তারা বিজিবি ও কোস্টগার্ড সদস্যদের খবর দেন। পরে সেন্টমার্টিন বিজিবি টহল টিম সেখানে গিয়ে রোহিঙ্গাবাহী ট্রলারটি নিজেদের হেফাজতে নেন।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, সকালে রোহিঙ্গা ও বিজিপি সদস্যদের দ্বীপের উত্তর সৈকতের একটি রিসোর্টে বিজিবি হেফাজতে রাখা হয়। শুক্রবার বিকেলে ট্রলারের যান্ত্রিক ত্রুটি ঠিক হলে তারা স্বদেশের উদ্দেশে দ্বীপ ছাড়েন।
সেন্টমার্টিনে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) দায়িত্বপ্রাপ্ত সুবেদার সানোয়ার হোসেন বলেন, সমুদ্রে প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং ইঞ্জিল বিকল হওয়ার কারণে ট্রলারটি ৩৩ জন মিয়ানমারের নাগরিক নিয়ে দ্বীপে ভেসে আসে। বিকেলে ট্রলারটি তাদের দেশের উদ্দেশে ফিরে গেছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী বলেন, নতুন করে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্ত ও নাফ নদে অবস্থান জোরদার করেছে বিজিবি ও কোস্টগার্ড।