মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য আবদুল আলিম, মাইনুদ্দিন হাসান, মফিজুর রহমান, মোহাম্মদ জিহাদ ও ফারুক।
মামলা এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরীকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন মাইনুদ্দিন হাসান। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবগত করে কিশোরীর পরিবার। গত ১২ জানুয়ারি কিশোরী নিখোঁজ হলে সাতকানিয়া থানায় জিডি করা হয়। পরে জানা যায়- আগের দিন ১১ জানুয়ারি কিশোরীকে জোর করে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যান অভিযুক্তরা। এরপর তাকে ধর্ষণ করেন। কিশোরী মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় মামলা করতে বিলম্ব হয় বলে এতে উল্লেখ করা হয়।
.png)
কিশোরীর পরিবারের দাবি, আবদুল আলিম এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের লিডার। তার নেতৃত্বে এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত মাইনুদ্দিন হাসান, মফিজুর রহমান, জিহাদ ও ফারুক।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী আব্দুল হাই মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, গত ১৩ জুন চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মোহাম্মদ জাকির হোসেনের আদালতে মামলার আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে মামলাটি সাতকানিয়া থানায় রেকর্ড করার নির্দেশ দেন আদালত।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাতকানিয়া থানার এসআই আবদুর রব বলেন, কিশোরীকে অপহরণ করে ধর্ষণ ও সহায়তা করার অভিযোগে পাঁচজনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত চলছে। কিশোরীর ডিএনএ টেস্টের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে।