পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানায়, সাতুরিয়া চেয়ারম্যানের সঙ্গে থাকা সার্বক্ষণিক জসিম নামের একটি ছেলে সকাল ৮টার দিকে চেয়ারম্যানের জন্য বাজারে নাস্তা আনতে বের হলে লাশটি প্রথমে তার চোখে পড়ে। পরে ছেলেটি ওই চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানালে চেয়ারম্যান পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ বেলা ১১ টার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সুরতহাল শেষে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
পুলিশ আরো জানায়, লাশের গায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এছাড়াও লাশের পাশে ছোট্ট একটি চাকু পাওয়া গেছে।
.png)
সাতুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ মাইনুল হায়দার নিপু বলেন, প্রত্যেকটি ওয়ার্ডের চৌকিদার দিয়ে খবর নিয়েছি কিন্তু লাশটিকে আমার এলাকার কেউ শনাক্ত করতে পারেনি। তাছাড়া পাশেই পিরোজপুরের কাউখালি উপজেলার সীমানা ওই উপজেলার লোকজন লাশটিকে দেখেছে। তারাও এই অজ্ঞাত ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি। আমরা এই লাশটির পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় গণমাধ্যম ও ফেসবুকে ছবিসহ প্রচার করছি।
রাজাপুর থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, লাশটির পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। আশেপাশের বিভিন্ন থানায় এ লাশটি শনাক্তের ব্যাপারে তথ্য চেয়েছি। ময়নাতদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।