সরেজমিন দেখা যায়, এজিং (কিনারা) ভেঙে হুমকির মুখে পড়েছে ৬৪৩ কোটি টাকার নির্মাণাধীন সড়ক। সড়কের বিভিন্ন অংশের এজিং ভেঙে পাশের জমিতে চলে গেছে। ফাটল দেখা দিয়েছে সড়কের বিভিন্ন স্থানে। সামান্য বৃষ্টিতেই কোনো কোনো স্থানে কার্পেটিং উঠে এজিং ভেঙে গেছে। কাজে নিম্নমানের ইট, খোয়া, পাথর, বালু ব্যবহার করার কারণে সড়কের কয়েকটি স্থানে উঁচু নিচু হয়ে দেবে গেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
এছাড়া পাকা সড়কের দুই পাশে কমপক্ষে তিন ফুট মাটি থাকার কথা। কিন্তু তার বালাই নেই। রাস্তা ফোর লেন হওয়ার কথা থাকলেও সড়কের গাংনী- বাঁশবাড়ীয়া গ্রামের মধ্যবর্তী ঝিনিরপুল নামক স্থানে একেবারেই সরু অবস্থায় রয়েছে। যেখানে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন এলাকার মানুষ। এছাড়া পাশেই আল-মদিনা মাদরাসার সামনের পুরোনো কালভার্টটি মাঝখানে আগের অবস্থানে রেখেই দুই পাশ প্রস্তত করা হয়েছে।
.png)
এদিকে মেহেরপুরের গাংনী বিদ্যুৎ উপ-কেন্দ্রের কাছে ও চেংগাড়া বাজারের কাছের দুটি কালভার্ট ভেঙে নতুন করে নির্মাণ করা হয়নি। শত বছরের নির্মাণকৃত এসব কালভার্টে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
মেহেরপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের প্রধান প্রকৌশল সৈয়দ মইনুল হাসানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।