শনিবার (২৯ জুন) রাত ১১টার দিকে তাকে উপজেলার নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে, একই দিন বেলা ১১টার দিকে উপজেলার নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের দমারচর ও নিঝুম দ্বীপের মধ্যবর্তী চ্যানেলে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. সেকান্তর হোসেন (৬২) উপজেলার নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত ছেরাজুল হকের ছেলে।
.png)
নিহতের নাতি ও নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মেহরাজ উদ্দিন বলেন, আমার নানা সেকান্তর পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। উপজেলার নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের দমারচরে উনার বেশ কিছু আবাদি কৃষি জমি রয়েছে। ওই সব আবাদি জমি দেখতে সকাল ১০টার দিকে তিনিসহ আরো পাঁচজন হেঁটে দমারচরের উদ্দেশে রওয়ানা দেন। যাত্রা পথে দমারচর ও নিঝুম দ্বীপের মধ্যবর্তী চ্যানেলে পৌঁছলে আকস্মিক মেঘনা নদীর জোয়ারের পানিতে তিনি ভেসে যান। খবর পেয়ে দুই শতাধিক মানুষ একসঙ্গে নদীতে নেমে খোঁজখুঁজির দেড়ঘণ্টা পর দমারচর সংলগ্ন নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
হাতিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নাল আবেদীন বলেন, জোয়ারের পানিতে ডুবে কৃষকের মৃত্যুর বিষয়টি জানা নেই। তবে এ বিষয়ে খোঁজ খবর নেয়া হবে।