নিহত মো. সালেক ওই ক্যাম্পের ডি/৭৬ ব্লকের মো. নূর আলমের ছেলে।
উখিয়া থানার ওসি মো. শামীম হোসেন জানান, ভোরে সালেক নামের এই রোহিঙ্গা নিজ ঘরে ফেরার পথে বোরকা পরিহিত ৩/৪ জন অজ্ঞাত সন্ত্রাসী তাকে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় রেখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে আশপাশের রোহিঙ্গারা তাকে উদ্ধার করে এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসক তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেন। এই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় পথেই তার মৃত্যু হয়।
.png)
তিনি আরো জানান, আশ্রয়শিবিরে মিয়ানমারের একাধিক সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে। আধিপত্য বিস্তার এবং পূর্বশত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
আশ্রয়শিবিরের রোহিঙ্গা নেতা ছৈয়দ করিম বলেন, সন্ধ্যার পর আশ্রয়শিবিরে সন্ত্রাসীদের তৎপরতা বেড়ে যায়। আধিপত্য বিস্তার, মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগি, দোকানপাটে চাঁদাবাজি ও মুক্তিপণের জন্য লোকজনকে অপহরণের ঘটনা ঘটছে। প্রায় সময় সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।