বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্ত মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার বাসিন্দা।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে মাসুদ রানার সঙ্গে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার গোপালপুর গ্রামের তারা মিয়া ফকিরের মেয়ে তানিয়া সুলতানার সঙ্গে ২য় বিয়ে হয়। ২০২০ সালের ২৯ জানুয়ারি তানিয়ার বড় মেয়ে ১২ বছর বয়সী স্কুল পড়ুয়া সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ করে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে রাখেন সৎ বাবা। পরে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এবং খুন করার হুমকি প্রদান করে একাধিকবার ধর্ষণ করেন তিনি।
.png)
এছাড়া তিনি ওই মেয়েকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে কৌশলে মোটরসাইকেলযোগে ঢাকায় এক বাসায় নিয়ে যান। সেখানেও জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে ভয়ভীতি দেখান। পরের দিন নগরকান্দার বাড়িতে ফিরলে ওই মেয়ের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ফুলা ও জখম দেখতে পান তার মা। পরে মা তানিয়া সুলতানা গ্রামের স্থানীয় লোকজনকে জানালে তারা ভিকটিমকে পুলিশে সোপর্দ করেন এবং নগরকান্দা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
নগরকান্দা থানার এসআই অসীম মন্ডল ২০২০ সালের এপিল মাসের ৩০ তারিখে আদালতে এ মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট স্বপন পাল জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯ (১) ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আদালতের নির্দেশে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।