রোববার রাত ৩টার দিকে রেলওয়ে চাঁদপুর স্টেশন প্ল্যাটফরমের কাছে এ ঘটনা ঘটে। রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে চাঁদপুর রেলওয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা যায়।
এ ঘটনার পর তাৎক্ষণিক স্টেশনে অবস্থানরত শত-শত যাত্রী ক্ষিপ্ত হয়ে আটক পারভেজকে গণপিটুনি দিতে থাকে। গণপিটুনির সময় স্টেশনে ডিউটিরত রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর এএসআই শাহাদাত হাসানের নেতৃত্বে হাবিলদার ইমাম হাসান, নিরাপত্তা সদস্য কালাম, তারিকুল ইসলাম পারভেজকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে তাকে রেলওয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
.png)
জানা যায়, চাঁদপুর স্টেশন মাস্টার শাহবুল শিকদারের অধীনে কর্মরত রেলওয়ের কর্মচারী পারভেজ বর্তমানে স্টেশন মাস্টারের পিয়ন হিসেবে কাজ করছিলেন। পারভেজ স্টেশন মাস্টারের পিয়নের দায়িত্ব থাকা অবস্থায় চট্রগ্রাম বিভাগীয় সহকারী বাণিজ্যিক কর্মকতা মেহেদি হাসানের চাঁদপুরের ব্যক্তিগত প্রতিনিধি বলে টিকেট বুকিং করার জন্য চাপ প্রয়োগ করে নিয়ে কালো বাজারে টিকিট বিক্রি করে।
চাঁদপুর স্টেশনে কর্মরত রেলওয়ে স্টাফ ও স্টেশনের দোকানিরা জানান, পারভেজ স্টেশন মাস্টারের নাম ভাঙিয়ে বুকিং কাউটার থেকে চট্রগ্রামগামী মেঘনা এক্সপ্রেস, সাগরিকা এক্সপ্রেস, ঈদ স্পেশাল ট্রেনের টিকেট নিয়ে নিজে এবং বিভিন্ন কালো বাজারি অসাধু ব্যক্তিদের মাধ্যমে টিকিট বেশি দামে বিক্রি করে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিল।
চাঁদপুর স্টশন মাস্টার মাহবুল শিকদার জানান, এ ঘটনা আমাদের সামনেই ঘটছে। জানতে পেরেছি পারভেজ টিকিট কালোবাজারে বিক্রি কালে আটক হয়। বিষয়টি চট্রগ্রাম বিভাগীয় ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। এ বিষয়টি যেন মামলায় না গড়ায় সেটি দেখছি। তার অপরাধের জন্য ডিপার্টমেন্টাল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাসুদ আলম জানান, টিকিট কালো বাজারে বিক্রির সময় একজনকে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা আটক করেছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।