শনিবার (২২ জুন) রাতে তুচ্ছ ঘটনায় ড্রেনের কাদায় মাথা চুবিয়ে ইউনুস আলীকে হত্যা করা হয়। ইউনুস আলী বগুড়া সদর উপজেলার শেখেরকোলা ইউনিয়নের বালা কৈগাড়ী স্কুল পাড়ার রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে৷ এ হত্যাকাণ্ডে কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহিনুজ্জামান।
নিহতের ছেলে গোলাম রসুল বলেন, গত বৃহস্পতিবার আমার বড় ভাই শাহীনের সঙ্গে রাস্তায় প্রতিবেশী ওহাব আলীর স্ত্রীর ধাক্কা লাগে। কিন্তু ওহাব আলীর স্ত্রী গায়ে হাত দেওয়ার কথা তার পরিবারকে জানায়৷ ঐ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিকেলে ওহাব আলীসহ আরো কয়েকজন মিলে আমার বড় ভাই শাহীনকে মারধর করে। সন্ধ্যায় আমি ও আমার বাবা ইউনুস আলী এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে তারা আমাকে মারধর করে। আমার বাবাকেও তারা মারধর করে ও ড্রেনের কাদায় মাথা চুবিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় জড়িত ওহাব আলীসহ তার পরিবারের সবাই পালিয়ে গেছেন।
পরিদর্শক (তদন্ত) শাহীনুজ্জামান বলেন, ইউনুস আলীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের গলার নিচে আঘাতের চিহ্ন আছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে- প্রতিবেশী ওহাব আলীর সঙ্গে কোনো এক ঝামেলায় এ ঘটনা ঘটেছে। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করছি। এ ঘটনায় যারা জড়িত তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
.png)
এর আগে, বগুড়ার বনানীতে আবাসিক হোটেলে স্ত্রী-সন্তানকে গলাকেটে হত্যা করেন এক স্বামী। এরপর একই রাতে সন্ত্রাসী ব্রাজিল ও ইজিবাইক ছিনতাই করে চালককে নির্মমভাবে হত্যা করে। সারিয়াকান্দিতে এক স্কুলছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। জেলার শিবগঞ্জে একজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ঈদের রাতে শহরের নিশিন্দারা এলাকায় দুই যুবককে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এরপরও গত রাতে ইউনুছ আলী হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হলো।
শনিবার রাতে বগুড়া সদর থানার ওসি ওয়ালিউল্লাহ সাইহান সরকারি মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো কথা না বলে পরিদর্শক তদন্তের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। তদন্ত শাহিনুজ্জামান সরকারি মোবাইলে হোয়াইটঅ্যাপে তথ্য জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।