শনিবার সকালে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মুকসুদপুর উপজেলার ভাঙ্গাপুল, শুক্রবার (২১ জুন) রাতে কাশিয়ানী উপজেলার তিলছড়া বাসস্ট্যান্ডে ও সদর উপজেলার ঘোনাপাড়ায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- মুকসুদপুর উপজেলার ঢাকপাড় গ্রামের আক্কাছ শেখের ছেলে ভ্যানচালক রিপন শেখ (৩৮), কাশিয়ানী উপজেলার তিলছড়া গ্রামের বৃদ্ধ নিলমনী বিশ্বাস (৬৫) ও খুলনা জেলার ফালগুনী পরিবহনের হেলপার মিলন।
.png)
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ওসি আবু সাঈদ মো. খায়রুল আনাম, ঘোনাপাড়া হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক আবুল হাসেম মজুমদার ও গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আনিচুর রহমান।
ওসি আবু সাঈদ মো. খায়রুল আনাম জানান, ভ্যানচালক রিপন নিজ বাড়ি থেকে ভ্যান নিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক দিয়ে মুকসুদপুর বাজারে যাওয়ার সময় অজ্ঞাতনামা দ্রুতগামী একটি গাড়ি তাকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রিপনকে মৃত ঘোষণা করেন।
অপরদিকে ঘোনাপাড়া হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক আবুল হাসেম মজুমদার জানান, একই সড়কের কাশিয়ানী উপজেলার তিলছড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন বৃদ্ধ নিলমনী বিশ্বাস। এ সময় দ্রুতগামী একটি বাস তাকে চাপা দিলে মারাত্মক আহত হন। স্থানয়ীরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আনিচুর রহমান জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ফালগুনী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস খুলনা যাচ্ছিল। এসময় বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকামুখী একটি ট্রাক ঘোনাপাড়ায় পৌঁছালে ব্যাটারিচালিত একটি ইজিবাইককে সাইড দিতে গেলে বাস-ট্রাক ও ইজিবাইকের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে ৬ জন আহত হন। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ফালগুনী পরিবহনের হেলপার মিলনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।