বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ওই মসজিদে বসে শ্রীপুর উপজেলা ইমাম সমিতি ও ওলামা পরিষদের নেতারা মসজিদ কমিটির সঙ্গে ঘটনার মীমাংসা করে ইমামকে তার দায়িত্ব ফিরিয়ে দেন।
ইমাম মাওলানা আবু বক্কর সিদ্দিক শেরপুরের নালিতাবাড়ি উপজেলার ফকিরপাড়া গ্রামের জালাল উদ্দীনের ছেলে। তিনি শ্রীপুর উপজেলার গোসিংগা ইউনিয়নের কর্নপুর গ্রামের কর্নপুর মাদরাসার কিতাব বিভাগের শিক্ষার্থী। লেখাপড়ার পাশাপাশি তিনি শ্রীপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভাংনাহটি (মধ্যপাড়া) এলাকার বায়তুন মসজিদে ইমামতির দায়িত্ব পালন করতেন।
.png)
স্থানীয় মুসল্লিরা জানান, ভাংনাহটি (মধ্যপাড়া) এলাকার বায়তুন জামে মসজিদ কমিটির সভাপতির হাতে লাঞ্ছিত ও চাকরিচ্যুতির পর এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন ইমাম। ঘটনার চারদিন পর বিষয়টি মীমাংসা হলে তিনি বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দুপুর থেকে ওই মসজিদের ইমামতির দায়িত্ব বুঝে নেন। ইমামের সঙ্গে ঈদের দিন সোমবার (১৭ জুন) তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন ওই মসজিদ কমিটির সভাপতি কফিল উদ্দীন।
ইমাম মাওলানা আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, শ্রীপুর উপজেলা ইমাম সমিতি ও ওলামা পরিষদের নেতৃবৃন্দের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের সম্মতিতে আমি মসজিদে ইমামতির চাকরিতে পুনরায় যোগদান করেছি।
ভুল স্বীকার করে মসজিদ কমিটির সভাপতি কফিল উদ্দীন বলেন, উভয় পক্ষ থেকে সমাধানের জন্য বসা হলে সকলের সম্মতিতে বিষয়টি সমাধান করে ইমামকে চাকরিতে পুনর্বহাল করা হয়েছে। এখন আর আমাদের কারও মাঝে কোনো ক্ষোভ নেই।
শ্রীপুর উপজেলা ওলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা মুফতি মাহমুদুল হাসান বলেন, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে একজন ইমাম মসজিদ কমিটির সভাপতির হাতে লাঞ্ছিত ও চাকরিচ্যুতি হয়েছিলেন। মসজিদ কমিটির সভাপতি তার ভুল স্বীকার করে ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। আমরা বসে বিষয়টি সমাধান করেছি। গাজীপুর জেলা ইমাম সমিতির নেতারাসহ আমরা বসে বিষয়টি সমাধান করে দিয়েছি।
শ্রীপুর পৌরসভার কাউন্সিলর (৪ নম্বর ওয়ার্ড) কামরুজ্জামান মন্ডল জানান, শ্রীপুর উপজেলা ইমাম সমিতি ও ওলামা পরিষদের নেতৃবৃন্দের মধ্যস্থতায় ওই ইমাম তার চাকরি ফিরে পাওয়ায় এবং ঘটনার সমাধান হওয়ায় সকলের জন্য ভালো হয়েছে।