বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় চাঁদপুর শহরের বড়সেটশন লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়েনিখোঁজ জহিরুলের সন্ধানে অভিযান শুরু করেছে বিআইডাব্লিউটিএ ও নৌ ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ডুবুরি দল।
এদিকে, ঘটনার পর সেখানে বসবাসরত শত শত নারী পুরুষ শিশু ভিড় করে। জহিরকে হারিয়ে নদীর পাড়ে আহাজারি করছেন মা-ভাই ও স্ত্রী-সন্তানরা।
.png)
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিখোঁজ জহিরের বাড়ি বরিশাল এলাকায়। তিনি তার স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে বড়স্টেশন মেঘনাপাড়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তবে জহির কখনো অটো চালাতেন আবার কখনো লঞ্চঘাটে বাদাম বিক্রি করতেন।
নিখোঁজ জহিরের ভাই নজরুল ইসলাম বলেন, আমার ভাই সাঁতার জানতেন। এ জন্য প্রতিদিন এখানে গোসল করেন। বৃহস্পতিবার তার স্ত্রী মনিরা বেগমসহ গোসল করতে নেমে আর ওঠেনি। ধারণা করছি, নদীর তীব্র স্রোতে সে ডুবে গেছে।
চাঁদপুর নৌ-ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মোসলেম মিয়জী বলেন, সকালে খবর পেয়ে ডুবুরি দল নিয়ে তাকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রেখেছি। কিন্তু নদীর তীব্র স্রোতে তার সন্ধান করা কষ্টকর। সকাল ১০টা পর্যন্ত জহিরের সন্ধান করেও পাওয়া যায়নি।