সোমবার (১৭ জুন) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসি সঞ্জয় কুমার সিনহা। কারাগারে যাওয়া শাহীন কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানার ইউসুফপুর গ্রামের বাসিন্দা।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা অসুস্থ এবং মা চাকরিজীবী। বায়েজিদ থানার মোহাম্মদনগর এলাকায় তারা ভাড়া বাসায় থাকেন। শিশুটি স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করে। গত ১৩ জুন সকাল ৮টায় শিশুটির মা কাজে যায়। দুপুরে অভিযুক্ত শাহীন কসমেটিকস ফেরি করে নিয়ে যান ওই এলাকায়।
.png)
ওই শিশু এবং তার প্রতিবেশী বান্ধবী ফেরিওয়ালা কি কি এনেছে তা দেখতে গেলে শাহীন ভুক্তভোগী শিশুটিকে যৌন নিপীড়ন করেন। ওইদিন শিশুটি লোকলজ্জার ভয়ে কাউকে কিছু বলেনি।
এরপর গত রোববার (১৬ জুন) বিকেলে অভিযুক্ত শাহীন ফের কসমেটিকস ফেরি করে ওই এলাকায় গেলে ভুক্তভোগী শিশু চিৎকার করে স্থানীয়দের বিষয়টি বলে দেয় এবং স্থানীয়রা শাহীনকে আটক করেন।
ওসি সঞ্জয় কুমার সিনহা বলেন, সোমবার ভুক্তভোগী শিশুর মা নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা করেছেন। ওই মামলায় আটক ফেরিওয়ালা শাহীনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়। আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।