ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

নেত্রকোনায় নারী যাত্রীকে ধর্ষণ, দুজনের নামে মামলা 

নেত্রকোণা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০২:১৩, ৯ জুন ২০২৪
নেত্রকোনায় নারী যাত্রীকে ধর্ষণ, দুজনের নামে মামলা 
জব্দ করা অটোরিকশা। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বাড়ি পৌঁছে কথা বলে নারী যাত্রীকে (১৯) ধর্ষণের অভিযোগে দুইজনের নামে থানায় মামলায় মামলা দায়ের হয়েছে। 

শুক্রবার দিবাগত রাতে ভুক্তভোগী নারী নিজে বাদী হয়ে বাস চালক খাইরুল ইসলাম (৩০) প্রধান আসামি ও অটো রিকশার চালককে অজ্ঞাতনামা আসামি করে দুর্গাপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলার দায়ের হয়। 

এ মামলায় পুলিশ প্রধান আসামি বাস চালক খায়রুল ইসলাম ও রিকশার চালককে কবির মিয়াসহ অটোরিকশাটি জব্দ করেছে। 

Advertisement

আটকৃত বাস চালক ঢাকা, দুর্গাপুর ও লেংগুড়া রোডের মামনি পরিবহন ৭ নং গাড়ির ড্রাইভার ও উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের কৃষ্ণেরচর গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে ও অটোচালক কবির মিয়া পৌর শহরের বালিকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। 

মামলা সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় ও প্যাকেজিং কারখানা কাজ করেন ভুক্তভোগী ঐ নারী। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে নিজ এলাকা কলমাকান্দা নাজিরপুরে আসার উদ্দেশ্যে মামনি পরিবহনের ৭ নম্বর বাসে উঠেন। রাতে ৩ টা ১৫ মিনিটে দুর্গাপুর পৌর শহরের প্রেসক্লাব মোড়ে নামিয়ে দেন বাসের হেল্পার। এসময় বাস থেকে নেমে যায় বাসের চালক খাইরুল ইসলামও। 

প্রেসক্লাব মোড় থেকে নাজিরপুরে যাওয়ার জন্য ঐ নারী অটোরিকশা ভাড়া করতে গেলে বাসচালক বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দেখান। পরে বাস চালকের সঙ্গেই অটোরিকশায় চড়ে বসেন। চন্ডিগড় ইউনিয়নের মধুয়াকোণা এলাকায় সড়কের পাশে একটু অদূরে নির্জন স্থানে অটোরিকশা রেখে চালক পাহারায় থাকে। এই সুযোগে বাস চালক খায়রুল ইসলাম আমাকে জড়িয়ে ধরে আমি চিৎকার দিতে চাইলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। 

পরে ঐ নারীকে অটোরিকশায় নাজিরপুরে মাঝে মাঝামাঝি স্থানে আত্মীয়র বাড়ির সামনে নামিয়ে দেয়। এসময় আমি আমার আত্মীয়কে ডাক দিলে অবস্থা বেগতিক দেখে ঐ নারীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, ব্যাগ নিয়েই চম্পট দেয় অটোচালক। 

ভুক্তভোগী নারী জানান, আমি দীর্ঘদিন ধরেই যাত্রাবাড়ীতে একটি কার্টুন ফ্যাক্টরিতে কাজ করছি। প্রায় ছুটিতে বাসে করে বাড়ি আসি। ঐদিন রাতে আমায় অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে ও প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বাস চালক খাইরুল আমাকে ধর্ষণ করে এবং দূর থেকে এগুলো পাহারা দেয় অটোচালক। আমি আমার সাথে হয় এ অন্যায়ের বিচার চাই। 

এ ঘটনা দুর্গাপুর থানার ওসি উত্তম চন্দ্র দেব জানান, আমরা প্রাথমিকভাবে অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযুক্ত বাস চালকে আটক করি এবং ভিকটিমের বর্ণনা অনুযায়ী অটো চালককে শনাক্ত করে অটোরিকশা এবং অটো চালককে গ্রেফতার করি। এরই মধ্যে থানায় একটি ধর্ষণ মামলার হয়েছে এবং আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেল হবে প্রেরণ করা হবে।

 

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেডআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!