শুক্রবার (৭ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার খিলপাড়া বাজারের ওয়াহাব তৈয়েবা মেমোরিয়াল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। নিহত সামিয়া আক্তার উপজেলার খিলপাড়া ইউনিয়নের দত্তেরবাগ গ্রামের নতার বাড়ির মো. মুরাদের স্ত্রী।
নিহতের স্বামী মুরাদ অভিযোগ করে জানান, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে সামিয়াকে তিনি ওয়াহাব তৈয়েবা মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে দুপুর ২টার দিকে ডাক্তার ফারহানা তার সিজার করেন। সেখানে অপারেশনের আগে অ্যানেসথেসিয়া ডাক্তার ছাড়াই হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার দিয়ে ভুলভাবে সামিয়ার শরীরে অ্যানেসথেসিয়ায় প্রয়োগ করলে সে মারা যায়। তারা রোগীর শরীরে যে অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগ করে তা ঠিকমত হয়নি। তারা সিজার করেন, কিন্তু নবজাতককে পেট থেকে বের করেননি। তারা দেখেছেন রোগী মারা গেছে। এরপরও পুনরায় সিজারের স্থানে সেলাই দিয়ে রোগীকে কুমিল্লা পাঠান।
.png)
তিনি আরো বলেন, পরে সন্ধ্যার দিকে আমরা সামিয়ার মরদেহ নিয়ে হাসপাতালে সামনে অবস্থান নিই। ওই সময় স্থানীয় নেতারা জানান, এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। শনিবার সামিয়াকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের কথা রয়েছে।
ওয়াহাব তৈয়েবা মেমোরিয়াল হাসপাতালের ম্যানেজার মহিউদ্দিন রাসেল বলেন, আমাদের অ্যানেসথেসিয়া ও সার্জন দুজনই অভিজ্ঞ ছিলেন। উনারা গত ১০মাস ধরে এখানে অপারেশন করে আসছেন। অ্যানেসথেসিয়া করা হলে রোগী স্ট্রোক করেন। এ কারণে আর সিজার করাতে পারেননি তারা। স্ট্রোক করার কারণে যেহেতু আইসিইউ সাপোর্ট লাগবে। তাই রোগীকে এখানে আর রাখা হয়নি। উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা শহর মাইজদীতে পাঠানো হয়। সেখান থেকে রোগীর স্বজনরা তাকে কুমিল্লা নিয়ে যান।
চাটখিল থানার ওসি মো.এমদাদুল হক বলেন, এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা থানায় কোনো অভিযোগ করেনি। তবে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।