শুক্রবার (৭ জুন) রাত ৯টার দিকে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের মুলাইদ গ্রামের ক্যাপ্টেন সিএনজির পাশের একটি ফার্মেসি থেকে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পরেই পালিয়েছেন স্বামী কিবরিয়া।
নিহত রেহেনা আক্তার গোপালগঞ্জের ইদ্রিস আলী ভূঁইয়ার মেয়ে। অভিযুক্ত কিবরিয়ার বাড়ি নড়াইলে বলে জানা গেছে। তবে তাদের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।
.png)
স্থানীয়রা জানান, প্রায় এক বছর ধরে স্ত্রীকে নিয়ে শ্রীপুরের মুলাইদ গ্রামের মোস্তফা কামালের বাড়িতে ভাড়া ছিলেন কিবরিয়া। তিনি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে একটি দোকান ভাড়া নিয়ে ওষুধসহ মোবাইল ব্যাংকিং ও রিচার্জের ব্যবসা করতেন। চার মাস আগে মোস্তফার ভাড়া বাড়ি ছেড়ে দিয়ে স্ত্রী রেহেনাকে গ্রামে পাঠিয়ে দেয় এবং কিবরিয়া দোকানে বসবাস শুরু করেন। ৩ দিন আগে রেহেনা বাড়ি থেকে আসেন। এবং স্বামী-স্ত্রী দুজনই দোকানে বসবাস শুরু করেন।
শুক্রবার সকাল থেকে দোকান বন্ধ দেখতে পান স্থানীয়রা। সন্ধ্যার দিকে পাশের দোকানদার সোহেল মোবাইল রিচার্জ করতে দোকানে যান। দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ভেতরে আলো জ্বালানো অবস্থায় বন্ধ সাটারের ফুটো দিয়ে মেঝেতে এক নারীকে পড়ে থাকতে দেখেন। তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাটি মার্কেট মালিক মোস্তফাকে জানান। পরে ঘটনাস্থলে এসে পুলিশে খবর দেন মোস্তফা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তালা ভেঙে দোকানের মেঝেতে রেহেনার গলাকাটা মরদেহ ও পাশে রক্তমাখা বটি উদ্ধার করে।
শ্রীপুর থানার ওসি আকবর আলী খান বলেন, ধারণা করছি বৃহস্পতিবার রাতে বটি দিয়ে গলা কেটে ওই নারীকে হত্যা করেছেন তার স্বামী। হত্যার পর মরদেহ দোকানের ভেতর ফেলে বাইরে থেকে শাটারে তালা দিয়ে পালিয়ে যান স্বামী কিবরিয়া। অভিযুক্ত কিবরিয়াকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে।