ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

১৪৯ ভরি সোনা ‘গায়েব’, যে সিদ্ধান্ত নিলেন ভুক্তভোগী

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:১৯, ৩ জুন ২০২৪
১৪৯ ভরি সোনা ‘গায়েব’, যে সিদ্ধান্ত নিলেন ভুক্তভোগী
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

চট্টগ্রামে ইসলামী ব্যাংকের চকবাজার শাখার লকার থেকে ১৪৯ ভরি সোনা গায়েবের অভিযোগে সোমবার আদালতে মামলা করবেন বলে জানিয়েছিলেন ভুক্তভোগী। কিন্তু এদিন আদালতে মামলা করেননি তিনি। সবশেষ পাওয়া খবরে- রাতেই থানায় মামলাটি করা হবে বলে জানা গেছে।

সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ভুক্তভোগী রোকেয়া বারীর ছেলে রিয়াদ মোহাম্মদ মারজুক।

তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংকের চকবাজার শাখার লকার থেকে আমার মায়ের প্রায় দেড়শ ভরি স্বর্ণালংকার চুরির ঘটনায় আজ সোমবার আমরা আদালতে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। পরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে চকবাজার থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছি। আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। রাতে থানায় যাবো। ওসির সঙ্গে কথা বলে মামলা দায়ের করবো।

Advertisement

চকবাজার থানার ওসি ওয়ালি উদ্দিন আকবর বলেন, ভুক্তভোগী এখনো থানায় আসেননি মামলা করতে। আসলে মামলা নেয়া হবে।

ব্যাংকের লকার থেকে ১৪৯ ভরি সোনা গায়েবের মতো এমন একটি অভিযোগ এরইমধ্যে চট্টগ্রামজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। গ্রাহকের অভিযোগ- ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই সরিয়ে ফেলেছেন এসব সোনা। তবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দাবি- গ্রাহকের অভিযোগ মিথ্যা। ব্যাংকের লকার থেকে সোনা চুরি, ডাকাতি কিংবা গায়েব হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যদি কোনোটি হয়ে থাকে তবে চুক্তিপত্র অনুযায়ী ইন্স্যুরেন্স পাবেন গ্রাহক।

লকার থেকে সোনা গায়েবের খবর ছড়িয়ে পড়লে রোববার (২ জুন) সকাল থেকে ব্যাংকটিতে ভিড় করেন গ্রাহকরা। অনেকে নিজ লকারে রক্ষিত মূল্যবান জিনিসপত্র ঠিক আছে কিনা তা যাচাই করেন।

ইসলামী ব্যাংক চকবাজার শাখার ম্যানেজার শফিকুল মওলা বলেন, আমাদের মনে হচ্ছে তিনি (গ্রাহক) মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছেন। এছাড়া অন্য কোনো ঘটনা ঘটেছে কিনা তা তিনি জানেন। আমরা লকার সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের সব সার্কুলার মেনেই আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছি।

ব্যাংক ম্যানেজার বলেন, লকারের পর্যাপ্ত সিকিউরিটি আমরা নিয়ে থাকি। যেন চুরি, ছিনতাই বা ডাকাতির মতো ঘটনা না ঘটে। আমাদের মনে হচ্ছে এখানে চুরি কিংবা ডাকাতির কোনো সুযোগ নেই।

সম্প্রতি বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার চাঁপাপুর ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট শাখা থেকে গ্রাহকের এক কোটি ২০ লাখ টাকা নিয়ে উধাও হন ক্যাশিয়ার সুজন রহমান ও তার পরিবার। ঘটনাটির রেশ না কাটতেই চট্টগ্রামে একই ব্যাংকের চকবাজার শাখার লকার থেকে সোনা গায়েবের অভিযোগ উঠেছে।

বগুড়ার ওই ঘটনায় বুধবার (২৮ মে) মামলা করেছেন চাঁপাপুর ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট শাখার স্বত্বাধিকারী নুরুল ইসলাম। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- ব্যাংকের ক্যাশিয়ার গোবিন্দপুর গ্রামের সুজন রহমান, তার বাবা এনামুল হক ও মা রুবিয়া খাতুন। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
ট্যাগ: চট্টগ্রাম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!