সরেজমিন দেখা গেছে, নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কিশোরী মোহন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ও পাশ্ববর্তী একটি ৫ তলা খালি বিল্ডিংয়ে একই ওয়ার্ডের মতিন মিয়ার কলোনীর ৪০টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়াও ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করা হচ্ছে।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর জানান, নগরীতে এরই মধ্যে বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে ৪ হাজার পরিবার। তাদের পর্যাপ্ত শুকনো খাবার পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে সিসিক। পর্যাপ্ত শুকনো খাবার বন্যাকবলিত এলাকার কাউন্সিলরদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
.png)
এদিকে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪ টায় নগরের ১৫, ২২ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের সুবহানীঘাট, উপশহর, তেররতন এলাকা পরিদর্শন করেন ভারপ্রাপ্ত মেয়র মো. মখলিছুর রহমান কামরান, প্রধান নির্বিহী কর্মকর্তা মো. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী, স্থানীয় কাউন্সিলর শাহানা বেগম শানু, ২২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফজলে রাব্বি চৌধুরী মাসুম, ২৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হুমায়ুন কবির সুহিন ও জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর।
এসময় ভারপ্রাপ্ত মেয়র মখলিছুর রহমান কামরান বলেন, উজান থেকে নেমে আসা ঢল আর টানা বৃষ্টির কারণে সিলেটের নদ-নদীর পানি বেড়ে এরই মধ্যে সিলেটের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বন্যার পানি শহরের দিকে ধেয়ে আসছে। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী তত্ত্বাবধানে সংকট মোকাবিলা করতে পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
তিনি জানান, এরই মধ্যে আমাদের বিভিন্ন শাখা ছুটি বাতিল করে বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। সকাল থেকে আমাদের কার্যক্রম চলছে।
সিসিক মেয়র আনোয়ারুজ্জান চৌধুরীর নির্দেশে বৃহস্পতিবার জরুরি সভা করে সিসিক কতৃপক্ষ। সভায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এরই অংশ হিসেবে শুক্রবার দিনভর কর্মতৎপরতা চালায় সিসিক কর্তৃপক্ষ।