সদরের রামপুরা উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এমন ঘটনা ঘটে। সেখানে ছয়টি বুথে ঐ প্রার্থীর ছয়জন এজেন্ট দায়িত্ব পালন করেছেন। নিয়োগকৃত এজেন্টরাও তাকে ভোট না দেওয়ায় বিষয়টি হাস্যরস সৃষ্টি করেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। রহস্যজনক এমন ঘটনায় হতভম্ব প্রার্থী নিজেই।
কৌতূহল বিষয়টি রহস্যজনক ও হাস্যকর বলে মনে করে অনেকে। মোটরসাইকেল প্রতীকের কোন ভোট না পাওয়ার বিষয়টা নিশ্চিত করেছেন ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার আব্দুল্লাহ।
.png)
মোটরসাইকেল প্রতীকের সমর্থকরা মনে করেন অন্য প্রার্থী থেকে অর্থনৈতিক সুবিধা নিয়ে দ্বিমুখী কাজ করেছেন তারা। এটি একটা নেক্কারজক ঘটনা বলে মন্তব্য করে সমর্থকরা।
তবে এজেন্টেদের দাবি দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে ব্যস্ত থাকার কারণে তারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। তাহলে অন্যদের ভোট কেন পাইনি এমন প্রশ্নের তারা বলেন গোপন কক্ষে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট হয়েছে সেটা তো তারা বলতে পারে না।
এ বিষয়ে প্রার্থী নিজামুদ্দিন মিজানের সাথে কথা বলার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।